"অমন আড়াল দিয়ে লুকিয়ে গেলে চলবে না। এবার হৃদয় মাঝে লুকিয়ে বসো, কেউ জানবে না, কেউ বলবে না।।" খুব ছোট আমি, কবি গুরুর এমন একটি লাইন মনের মাঝে হঠাৎ বসতি ঠিক করে নিল। আর আমি সেই থেকে একটু একটু করে নিংড়ে নিচ্ছি কবি গুরুর সেই অমৃতরস। আর সেই সাথে নিজের ভাবনার জগতের কিছু অনুভুতি লিখে যাই। আমার লেখা গুলো আমার অনেক প্রিয়, আমার সমস্ত সত্ত্বা জুড়ে এদের বসবাস।
আমার অনুভুতি গুলো, আমার লেখা গুলো আপনাদের খারাপ বা ভালো লাগলে আপনার মূল্যবান মতামত দিন।
আপনি সহজেই এই লেখাটি ফেসবুক একাউন্টে পোস্ট করে আপনার বন্ধুদের দেখাতে পারেন!
চার রাস্তার মোড়ে দাড়িয়ে কতবার ভেবেছি, বলেছি আর কোনদিন আসবো না।
তবু দ্বি-প্রহর কাটতেই মনকে প্রতারিত করি। রোদ পালানো মেঘের নীচে দাড়িয়ে মন ভাঙ্গা যন্ত্রণা গুলোর পাল্টে যায় রঙ- থেমে যায় উঠোন কুড়ানো অভিমান, প্রাচীন নীড়ে এবার তাই দিয়েছি আগুন নদীর এপাশে ওপাশে রেখেছি প্রহরী। তবু ঐ চার রাস্তার মোড়ে দাড়িয়েই শিরোনামহীন হয়ে গেছে আমার এক একটি কবিতা। রুপা সেদিনও আসেনি…
দূর বিকেলে রুপার কথা আর এক পলক দেখার অপেক্ষা দীর্ঘকাল পাশ কাটিয়ে জ্বলে থাকে। বেনামি ফাগুন রোদে বুকপকেটের চিরকুট নিরীহ ঘামে ভিজে যায় অভিমানে। উদাসী কার্নিশে এক টুকরো ঝুলন্ত বিকেল উদ্বাস্তু, বাড়ি ফিরবে না বলে চলে যায়।
তবু, প্রতিদিন চেয়ে থাকি ক্যান্টিন-করিডোরে, শহর জুড়ে, ঐ চৌরাস্তায়। সবখানে আবার ঢেউ জাগে কোলাহলের, কারো কিছু যায় আসে না। কোনদিন- শুধু একটা চোরাস্রোত অজান্তেই কয়েক ফোঁটা জল ছুঁড়ে দেয় আমার বাড়িফেরা চোখে চুপিচুপি। রুপা কে বলা হয়নি, চার রাস্তার মোড়ে এক থেকে একশ বছর দাড়িয়ে এখনো রোদ মাখি হলুদ দুপুরে…
বিজ্ঞপ্তিঃ এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।