সমন্বিত স্কোর

১.৯

বিচারক স্কোরঃ ০ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৯ / ৩.০

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: 21 September, 1965
গল্প/কবিতা: ২২টি
আমি রীতা রায় মিঠু'র লেখায় ভোট আপিল করছি।
Facebook Share
আপনি সহজেই এই লেখাটি ফেসবুক একাউন্টে পোস্ট করে আপনার বন্ধুদের দেখাতে পারেন!



আগামী সংখ্যার বিষয়

“ইচ্ছা”

লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ
২৮ জুন, ২০১৩
প্রতিযোগিতার নিয়মাবলী

আগামী সংখ্যার উপহার

বিচারক ও পাঠকদের ভোটে সেরা ৩টি গল্প ও ৩টি কবিতা পুরস্কার পাবে।
প্রথম পুরস্কার ১৫০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।
দ্বিতীয় পুরস্কার ১০০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।
তৃতীয় পুরস্কার সনদপত্র।

মে ২০১২ সংখ্যাঃ প্রিয়ার চাহনি


৭৮ মন্তব্য সমূহ  |   ৩টি পছন্দ ২২৬ বার দেখা হয়েছে

কথা রাখেনি বনলতা

কবিতা : রীতা রায় মিঠু
বেহালাতে সুর তুলেছে খুকী ‘চক্ষে আমার তৃষ্ণা,
তৃষ্ণা আমার বক্ষজুড়ে’!
সাহানা নয়তো ললিত রাগের করুন সুরে,
বিরহী প্রেমিকের বেদনায় নীল গভীর অন্তরে।
খুকীমার হাতেই বেহালা যেনো প্রাণ পায়
ছড়ের প্রতিটি টানে বেহালা কাঁদে, আমাকেও কাঁদায়।
রাগ-রাগিণী আমার চেনার কথা নয়, এসব জানতো ভালো বনলতা।
বনলতাকে আর ভোলা গেলনা, জীবনের প্রতিটি দিনের অভ্যাসে
সে লেপটে আছে, জড়িয়ে আছে প্রতিদিনের কল্পনার সুক্ষ্মজালে।

বনলতাকে প্রথম দেখেছি অহনার সাথে।
মধুদা’র ক্যান্টিনে চায়ের পেয়ালা হাতে।
কাঁধের দুপাশে এলিয়ে ছিলো অলস দুই বেণী,
বিনুনির শেষপ্রান্তে মোরগের ঝুঁটির মত করে
বাঁধা ছিল টকটকে লাল সাটিনের ফিতা।
পরনে ছিল কলাপাতা রঙ টাঙ্গাইল তাঁত।
পরিচয়ে জেনেছিলাম নাম ওর নবনীতা।

নবনীতাকে আমিই শুধু ডেকেছি বনলতা
জীবনানন্দের বনলতাই যেনো বসেছিল সেথা
পাখীর বাসার মত দুটি চোখ মেলে, আসলে নবনীতা।
আমি মনকে গেয়ে শোনালাম, ‘পাখীর বাসার মত
দুটি চোখ তোমার, ঠিক যেনো নাটোরের বনলতা সেন।

পরিচয়ের প্রথম লজ্জা কাটিয়ে দুই চোখ মেলে
ধরেছিল আমার পানে,
ও চাহনিতে যা কিছু ছিল, আমি বুঝে নিয়েছিলাম
তার সবটুকু মানে।

দেরী করিনি, বনলতাকে নিয়ে চষে বেড়িয়েছি রমনা পার্ক
থেকে সোজা সদরঘাট, নৌকায় বেড়িয়েছি বুড়িগঙ্গার
বুকে আর হেঁটেছি সবুজ ঘাসে ভরা মাঠ।
তেমন কিছুই চাওয়া ছিলনা তার, টুইশানি করা বেকার যুবকের কাছে,
তবুও লজ্জার মাথা খেয়ে চুপি চুপি বলেই ফেলেছিল সাধ একটা আছে।
“বুড়িগঙ্গার বুকে নৌকার হোটেলে খেতে সাধ হয়,
টাটকা ইলিশের ঝোল আর মোটা চালের গরম ধোঁয়া ওঠা ভাত”।
অহংকারী যুবক হাতের তুড়ি বাজিয়ে বলেছিলাম,
“এ আর এমন কি কথা!
আজই চলো এখনই চলো, মুখ ফুটে কিছু চাইলেই
যখন, শুনছিনা আর কোন কথা”।

আমার হাত থেকে আলতো করেই ছাড়িয়ে নিয়েছিল
সে তার নরম তুলতুলে হাত,
বলেছিল তার ঘরে ফেরার খুব জোর তাড়া,
দুদিন বাদেই আসবে বলে হয়ে গেলো হাতছাড়া।

বনলতা আর আসেনি, দুদিন বাদেই আসবে
বলেছিল তাই প্রথম দুদিন খুঁজিনি।
তৃতীয়াতে একে শুধোই ওকে শুধোই, বনলতাকে কেউ চেনেনা
নবনীতাই ছিল বনলতা জানতো কেবল অহনা।
অহনার কাছেই শুনেছিলাম নবনীতার কথা
প্রবাসীর হাত ধরে সে চলে গেছে বহুদূরের আমেরিকা।

কথা রাখেনি বনলতা, দুদিন বাদেই আসবে বলেছিল,
নৌকার হোটেলে ইলিশের ঝোল আর সাদা
ভাত খাবে, এমনইতো কথা ছিল।
সেদিনই যদি নৌকার হোটেলে চলে যেতাম
বনলতাকে দেয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষার তৃপ্তিটুকু পেতাম।
বনলতাকেও দুদিন বাদে ফিরে আসার
প্রতিশ্রুতি দিতে হতোনা, কথার বরখেলাপও হতোনা।
বিজ্ঞপ্তিঃ এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।
৭৮ মন্তব্য সমূহ
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar