উচ্চ শিক্ষার্জনের নেশায় পাড়ি জমাই ইট কাঠ পাথুরে যান্ত্রিক এই নগরীতে। স্বার্থপর সারি সারি বদ্ধ কুটিরের ছোট্ট কক্ষে হাপিয়ে উঠি নিষ্পেষিত নিঃশ্বাসে! এক টুকরো আকাশ, নৈসর্গিক সবুজের হাতছানিতে বিরান হৃদয় কেঁদে ওঠে। শহুরে সুযোগ সুবিধের ফাঁদে পেরোই বছরের পর বছর।
শুষ্ক নগরীর বিষাক্ত ছায়াপাশ হতে মুক্তির আবাহনে মন, চলার পথে পথে প্রবাসী সবুজের ছোঁয়ায় আপ্লুত হয়! অধরা প্রকৃতিকে বশ মানাতে সাজাই বাড়ির কোনায় কোনায়; নিজের বন্দীত্বের মায়ায় বাঁধি কিছু সজীব প্রাণ!
গ্রীষ্মের তাপদাহে তৃষার্ত নাগরিক ক্লান্তিতে অস্থির হাহাকার হৃদয়ে কৃষ্ণ মেঘের দল স্মৃতির বাগানে চুপি চুপি ডাক দিয়ে যায়, ‘ফিরে চলো ফেলে আসা উত্তরবঙ্গের সেই মেঠো পথে’, কিশোরী থেকে তরূনী হয়ে ওঠার কোন এক ক্ষণে মনে উঁকি দেওয়া প্রথম প্রেমোদ্যানে।
ব্যাস্ততায় বেরী পরা অভ্যস্ত শহুরে পায়ে শিল্পী মন আমার এক টুকরো সজিবতা ক্যানভাসে ধরে প্রবোধ দেই, “এই তো মুক্ত নীলাকাশ, নজরে গাথা সেই প্রিয় সবুজ ভূমি”! বয়সের রেখায় বাঁধা না পরা আমূল নৈসর্গিক প্রেমাচ্ছন্ন মন আমার অপেক্ষায় থাকে ফিরে যাবে একদিন; ছায়া ঘেরা সবুজের ডেরায়।
বিজ্ঞপ্তিঃ এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।