সমন্বিত স্কোর

৬.৩৯

বিচারক স্কোরঃ ৩.৮৫ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ২.৫৪ / ৩.০

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২৮ ফেব্রুয়ারী, ১৯৯০
গল্প/কবিতা: ৮টি
Facebook Share
আপনি সহজেই এই লেখাটি ফেসবুক একাউন্টে পোস্ট করে আপনার বন্ধুদের দেখাতে পারেন!



আগামী সংখ্যার বিষয়

“বাবা”

লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ
২৫ মে, ২০১২
প্রতিযোগিতার নিয়মাবলী
বিচারক ও পাঠকদের ভোটে সেরা ৩টি গল্প ও ৩টি কবিতা পুরস্কার পাবে।
প্রথম পুরস্কার ১৫০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।
দ্বিতীয় পুরস্কার ১০০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।
তৃতীয় পুরস্কার সনদপত্র।

জানুয়ারী ২০১২ সংখ্যাঃ শীত


৮৮ কমেন্টসমূহ  |   ৭ পছন্দ   |   ৪১৭ বার দেখা হয়েছে

হঠাৎ চৈতন্যোদয়

লেখক : মোঃ শামছুল আরেফিন
এক
কথা বলতে ইচ্ছে হচ্ছিলনা মোটেও।
তবুও যে আবার কিছু বাক্যব্যয় করতে হবে ভাবতেই মনের কষ্টে কপালে ভাঁজ পরে মেয়েটির। একটু আগে যে কারণে শাওনকে জীবনের সেরা ঝাড়িটি উপহার দিয়েছিল এবারের কারণটা তার চেয়েও জঘন্য।

সানজিদার কথাই ঠিক। শাওনটা আসলেই একটা ম্যাদামারা। ম্যাদামারা না হলে এমন তো হবার কথা ছিলনা। বাদামওয়ালা ছেলেটির কাছ থেকে অনেক বলে কয়ে আগে এক টাকা আদায় করে নিল। তারপর দুটাকার কয়েনটা হাতে নিয়ে কয়েকবার কচলানোর পর এগিয়ে দিল ছেলেটির কাছে। ছেলেটিও কম যায়না। গুনে গুনে পাঁচটা বাদাম দিল সে। যদিও প্রদেয় অর্থের বিনিময়ে প্রাপ্ত বাদামের সংখ্যা কম নয়; তবে দুজনের মাঝে বন্টণ করতে গেলে অসমবিভাজন করতে হবে। শাওন তাই ছেলেটির কাছে আরো একটি বাদামের জন্য হাত পাতল। বাদামওয়ালা একটি বাদাম দিল ঠিকই, তবে সাথে একটি অপমানজনক কথা বলতেও ভুল করেনি। অথচ শাওন কিছুই বললনা। ভাবটা এমন যেন কেউ তাকে কিছু বলেনি। কিছুই গায়ে মাখেনি সে।

রাগে আর ঘৃণায় তখন গিজগিজ করছে সানজিদা। শাওন তার পাশে এসে তিনটি বাদাম বাড়িয়ে দিল।
বুঝলি সানজু, এই একবিংশ শতাব্দীতে নারীপুরুষ কোন ভেদাভেদ নেই। সবকিছুতেই সবার সমান অধিকার, সবার সমান ভাগ। তোর জন্য তাই এই তিনটা। নে। তোর আজকের লাঞ্চ।
চেঁচিয়ে উঠল সানজিদা।
তোর কূটনৈতিক আলাপ বন্ধ কর। বাদাম খাবোনা আমি। ছোটলোক কোথাকার! একটাকার বাদাম কিনিস। আবার অপমান সহ্য করে একটা বাদাম চেয়েও আনিস। লজ্জা করলোনা তোর!
তুই না বোকা রয়ে গেলি সানজু। লজ্জা লাগবে কেন? পরিস্থিতি মানুষকে অনেক কিছুই করতে বাধ্য করে। নে, খেয়ে নে। না খেলে শরীর খারাপ করবে।
এই তিনটামাত্র বাদাম না খেলে শরীর খারাপ করবে কথাটা শুনামাত্র সানজিদা এমনভাবে শাওনের দিকে তাকিয়ে থাকল যেন শাওন অতিবিরল প্রজাতির কোন নিরীহ চিড়িয়া। আফ্রিকার গভীরজঙ্গল থেকে অনেক অর্থের বিনিময়ে কিনে এনে তাকে ঢাকার চিড়িয়াখানায় রাখা হয়েছে। আর একজন ভাবুক দর্শকের মত গালে হাত দিয়ে গভীর মনযোগ দিয়ে সে এই আজব চিড়িয়ার সকল কর্মকাণ্ড দেখছে। শুধু পার্থক্য এই যে ভাবুক চোখে সাধারণত ভারী একটি চশমা থাকে, সানজিদার বেলায় তা নেই। তবুও সানজিদার এমন অপমানজনক চাহনীর দিকে একবার তাকিয়ে দ্বিতীয়বার আর তাকালো না শাওন। পাছেই আরো লজ্জায় পড়তে হয়। শুধুমাত্র চোখ দিয়ে মানুষকে যে কতপ্রকারে প্রহসন দেয়া যায় সে যে তা কতবার হাতে-কলমে শিক্ষা পেয়েছে তার ইয়ত্তা নেই। আপাতত তাই চুপ হয়ে থাকাটাই বুদ্ধিমানের কাজ।

দুই
দুপুর ছাড়িয়ে বিকেল গড়াল সেই কখন।
বাতাসটা যেন আরো বেশি উগ্র হয়ে তেড়ে আসছে। হিম শীতল বাতাস। গায়ে লাগলে পশম দাঁড়িয়ে যায়। অথচ গাছের গোঁড়ায় ইট-সিমেণ্টের আসনে তখনও বসে আছে ওরা। পিঠে পিঠ ঠেকিয়ে বসেছে শীত কম লাগবে বলে। ঝগড়া মিটে গেছে অনেক আগেই। তবুও কারো মুখে কোন কথা নেই। চরম বিষণ্ণ একটা ভাব তাদের চোখে-মুখে, আর দৃষ্টি গিয়ে ঠেকেছে বহুদূর।
সানজিদার পড়নে লাল শাড়ি। একটি হালকা চাদর দিয়ে শরীরের উপরিভাগ মোড়ানো হয়েছে। আর কলাপাতা রঙয়ের একটি পাঞ্জাবী গায়ে দিয়ে জড়সড় হয়ে বসেছে শাওন। শীত পড়তে শুরু করায় এইবেলায় এই রকম দম্পতির দেখা কম মিলে। তবুও যেকটি ঝুটি শীত উপেক্ষা করে এখনও প্রেম করছে তাঁদের মাঝে ওদেরকে চোখে পড়ে আলাদাভাবে। মালা মেয়েটি তাই ছুটে গেল তাঁদের কাছে।
ভাইজান, এই দুইটা মালাই আছে আর। বকুলফুলের মালা। আপারে যা মানাইবোনা! লইয়া লন। দাম বেশি রাখুম না। দুইটা মিললা মাত্র পাঁচ টাকা দিয়েন।
ভারী মায়াবী একটি মুখ।দেখলেই মায়া লাগে। গায়ের রং কাল, নাক চ্যাপটা। যিনি গড়েছেন তিনি কোন ত্রুটি করেননি। তবুও গাল খসখসে হয়ে দাগ পড়েছে ছাল উঠানো গাছের মতন, আর ঠোঁট ফেটে সেখানে গজিয়েছে ডালপালা। কতকাল যে চুলে তেল মাখেনি সে হিসাব মনে হয় সে নিজেও জানেনা। লালচে চুলের দিকে তাকিয়ে তাই পাখির বাসা মনে হলেও তাকে দৃষ্টিবিভ্রম বলা যাবেনা। শাওন ও সানজিদা তাকিয়ে রইল মেয়েটির দিকে। সানজিদার কথা কম বলার অভ্যাস। স্বভাবের নিয়মে তাই শাওন বলল,
দুইটা মালা পাঁচ টাকায় বিক্রি করলে তোর পোষাবে?
না, পোষায় না। তয় আইজ তাড়াতাড়ি ঘরে ফিরতে অইব। বাপজানের অসুখ ত। তাই আপনাগো জইন্য দুই মালা পাঁচ টাকা।
এই মালা দুটো বিক্রি করতে পারলেই তুই তাড়াতাড়ি ঘরে ফিরতে পারবি, এই তো?
মালার মুখে হাঁসি ফুটল। হ ভাইজান।
দে দেখি তোর মালা দুটি। এইখানে বসে এই সুন্দরী আপার সাথে গল্প কর।
মালা মেয়েটি কিছু বুঝে উঠার আগেই শাওন হাঁটা ধরল পার্কে থাকা অন্য দম্পতিগুলোর দিকে। মালা অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকল সেদিকে।
আপা, ভাইজান কি পাগল কিসিমের!
না। ও পাগল হতে যাবে কেন? একটু বোকা। তবে অনেক ভাল একটা ছেলে। দেখলে না তোমার মালা কিনতে পারেনি বলে মালা বিক্রি করতে নিয়ে গেল।
বলেন কি আপা! আপনা গো কাছে পাঁচ টাকাও নাই?
না, ও পকেট খুঁজে দুই টাকার একটা সিকি পয়সা পেয়েছিল। এক টাকার বাদাম কিনা হয়েছিল দুপুরে লাঞ্চ করার জন্য। এখনও এক টাকা আছে। ঐ টা দিয়ে রাতের ডিনারের ব্যবস্থা করতে হবে।
মালা যেন গাছ থেকে পড়ল। বিশ্বাস অয়না আপা। আপনাগরে দেখলে মনে অয় আপনারা অনেক বড় ঘরের মানুষ। জীবনে এই পরথম নিজেরে অনেক ধণী মনে অইতেছে। দেহেন আমার কাছে ষাইট টাকা আছে।
সানজিদা হাঁসে এমন কথা শুনে।
আপনি মনে অয় মজা করতেছেন আপা।
না, মজানা; সত্যি। আমরা আজ বাসা থেকে পালিয়ে এসেছি। কাজী অফিসে যাব বলে সিএনজিতে চড়লাম। কিছুদূর যাবার পর কিছু অস্ত্রধারী যুবক সিএনজি থামালো।
আপা সিনেমার গুন্ডাগো মত অগো মুখ কি কালা মুখোস দিয়া ঢাকা আছিল?
না, সেই রকম ছিলনা। ওরা অস্ত্র ঠেকিয়ে দুজনের ব্যাগ, টাকা-পয়সা, মোবাইল সব নিয়ে গেল। পারলে পায়ের জুতাটি পর্যন্ত নিয়ে যায়। এতক্ষণে আমাদের কক্সবাজারের পথে থাকার কথা ছিল। অথচ দেখ কি ভাগ্য! এখনও এই গাছের তলায় পড়ে আছি।
এখন বাসায় ফিইরা যাইবেন্যা আপা?
তোমার কি মাথা খারাপ হয়েছে? পালিয়ে এসেছি। বাসায় ফিরে গেলে বাবা-মা খুন করে ফেলবে।
ততক্ষণে শাওন এসে হাজির। মালার হাতে একটি পাঁচশ টাকার নোট গুঁজে দিয়ে বলল,
এই নে তোর মালা বিক্রির টাকা। সন্ধ্যা পড়তে শুরু করেছে। তুই তাড়াতাড়ি বাসায় চলে যা।
মালার চোখে তখন বিস্ময় আর সানজিদা মিটিমিটি হাসছে শাওনের দিকে তাকিয়ে। খুব ভাব নিয়ে শাওন আবার নিজেই কথা বলতে শুরু করল।
যাদু বুঝলি যাদু! পার্কের ঐ কোণায় এক বুড়া-বুড়ি পেলাম। কি যে রোম্যান্টিক ওনারা চিন্তা করতে পারবিনা। এমন পাম দিলাম যে বুড়ির ভাঁজ পড়া গাল পর্যন্ত লাল হয়ে গেল। মালাদুটো ধরিয়ে দিলাম বুড়োর হাতে। মালদার পার্টি। তোর বাপের মত। পাঁচশ টাকা তো দিলই আমাদের জন্য দোয়াও করল।
তুইকি আমার কথাও বলেছিস নাকি?
বলেছিনা আবার! আজকের দিনের সব কাহিনী খুলে বলেছি।
হুম… বেশ করেছিস।
মালা মেয়েটা চুপ করে রইল। তার কাছে মনে হচ্ছে সে এখন ঘোরের মধ্যে আছে। ঝিমানি ভাব কেটে গেলে একটু পর সব ঠিক হয়ে যাবে। সানজিদা তার গায়ে হাত দিয়ে বলল,
কি নাম যেন তোমার?
একটু ভিড়মি খেয়ে উত্তর দিল সে,
মালা।
বাহ অনেক সুন্দর নাম। মালা তুমি বাসায় চলে যাও। তোমার বাবা-মা তোমার জন্য চিন্তা করবেন।
আপনারা এখন কই যাবেন আপা?
কোথাও যাবনা। ভাবছি এই গাছতলায়ই রাত কাটিয়ে দিবো।
আপা, কইছিলাম কী, এই জায়গাটা ভালোনা। আপনাগো বিপদ হইতে পারে। তার উপর এখন শীত পড়ন শুরু করব। আপনাগো এত কষ্ট সহ্য অইবোনা। আপনেরা আমার লগে চলেন। আইজ আমাগো মেহমান হইবেন। আমার বাপ-মায় আপনাগরে দেখলে মেলা খুশী অইব।
শাওন আর সানজিদা কিছুক্ষণ একে অপরের মুখ চাওয়া-চাওয়ি করে রাজি হয়ে গেল। জীবনটাকে আজ ভিন্নভাবে উপভোগ করতে চায় ওরা।
রিক্সা নিল মালা। পথ ছোট হলেও মেহমানদের হাঁটিয়ে নেয়া অশোভন। শাওনের মনে পড়ল দুপুরের লাঞ্চের জন্য কিনা ছয়টি বাদাম এখনও পকেটে পড়ে আছে। তৎক্ষণাৎ তিনজনের মাঝে সমানভাবে বিতরণ করে দিল সে মহার্ঘ। সানজিদাও কোন আপত্তি না করে বাদাম খাচ্ছে। প্রথম বাদামটি শেষ করে দ্বিতীয় বাদামটি যেইনা ছিড়ল, শাওনের মেজাজ চটে গেল। বাদামওয়ালা ছেলেটি দেখেশুনে তাকে একটি পচা বাদাম দিয়েছে। আফসোস করতে থাকল সে নিজে নিজে। মালা আর সানজিদা টের পেলনা কিছুই।

তিন
মাটির চুলোটা মনে হয় অনেক যত্ন করে বানানো হয়েছিল। তাই আগুন খুব একটা বেরিয়ে আসতে পারছেনা। চুলার উপর একটি বড় পাতিলে পানি ফুটছে। তার উপর চালুনিতে উপুড় করে রাখা হয়েছে চালের গুড়া, খেজুরের মিঠাই আর নারিকেলের মিশ্রন করা ছোট ছোট বাটি। তারপর আবার একটা ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। কিছুক্ষণ পর নূরজাহান বেগম ঢাকনা তুলে ধোঁয়া উঠা গরম গরম ভাপা-পিঠাগুলো নামিয়ে রাখছেন। সানজিদা পাশে বসে গভীর মনোযোগ দিয়ে দেখছে পিঠা বানানোর এই সুনিপুন পদ্ধতি আর ভাবছে, এই পিঠাগুলো জীবনে কোনদিন খায়নি সে। হঠাৎ করে মালা বলল,
মা আরো চাইর পিস লাগবো।
একজন আধা-বুড়া বয়সের ভদ্রলোকে এসে দাঁড়িয়েছেন চুলোর পাশে। উনি পিঠা বাসায় নিয়ে যাবেন। প্রতি পিস পিঠা পাঁচ টাকা করে। আগে অবশ্য নূরজাহান বেগম এই পিঠা বিক্রির উদ্দেশ্যে বানাতেন না। তবে এখন সময় ভাল যাচ্ছেনা।
মালারা থাকে পান্থপথে। এখানে রাত কাটানো অন্যান্যদের চেয়ে তাঁদের অবস্থা একটু ভাল। ঘর বলতে ওদের যা আছে তা হল পলিথিনে মোড়ানো ছোট্ট একটি ঝুপড়ি, দিন হলে আবার ভাঁজ করে রাখতে হয়। সেখানে বসে গল্প করছে কালা মিয়া আর শাওন। সবকিছু শুনে কালা মিয়া মোটামুটি চিন্তিত। অনেক জটিল একটা কেইস।

তারা দুজন একসাথে পড়াশুনা করে, সেই সাথে রুটিনমাফিক প্রেম। কিন্তু মেয়ের বাবা-মা ছেলেকে মেনে নিবেন না। কারণ ছেলে এখনও চ্যাংড়া, দাড়ি-গোঁফ গজালেও মাসে দুইবার কামানোর দরকার পড়েনা। তার উপর বেকার ছেলে। কালা মিয়াও মনে মনে সানজিদার উপর বেজার। এত কম বয়সে প্রেম করে একটা নাদান ছেলের সাথে চলে আসল। এখন সমাধান একটাই। ‘রশীদ মনে অয় কাম থেইকা ফিরছে। আগে যখন গেরামে আছিল তহন মক্তবে পোলাপানগরে সক বাতাইয়া দিত। এহন ভ্যান চালায়। আপনারা অজু কইরা আসেন। কালেমা পড়াইয়া বিয়াটা অইয়া যাক। ঝামেলা ফিনিশ।’ প্রস্তাব করল কালা মিয়া।
না চাচা, রেজিস্ট্রেশন ছাড়া বিয়ে আমি করবোনা। জগতে পুরুষ মানুষদের বিশ্বাস নেই।
এই কথা শুনে শাওন চোখ ছোট করে তাকিয়ে থাকল সানজিদার দিকে। বড় একটি নিঃশ্বাস ছেড়ে বলল,
চাচা আমিও চাইনা বিয়েটা এভাবে হোক। আজকের দিনে আমার শিক্ষা হয়েছে। যা কিছু হবে পারিবারিক ভাবেই হবে। শাওনের কন্ঠে অনেক আত্নবিশ্বাস। সানজিদার মুখেও হাঁসি ফুটল খুশীতে। শাওনকে আর ম্যাদামারা বলা যাবেনা।

মেহমান এসেছে বলে কালা মিয়া আজ খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে কাঁঠাল-বাগান থেকে বাজার করে এনেছে। তারপর পেয়াজ দিয়ে কই মাছ বুনা আর টমেটো দিয়ে ডাল রান্না হল। আয়োজন ছোট হলেও সমাদরের ত্রুটি নেই। খাওয়ায় ধোঁয়া উঠছে। নূরজাহান আর মালা কি করে শাওনদের একটু বেশি খাওয়াতে পারবে সেই চেষ্টায় রত। কালা মিয়া তখন তাদেরকে কিস্যা শুনাতে ব্যস্ত। সানজিদা আর শাওনও মন দিয়ে শুনছে সে কিস্যা।
......... হেরপর সেই নব্বই সনের বন্যা। তালগাছ সমান পানি উঠছিল। আমাগো ঘরবাড়ি, ক্ষেতের ফসল সব ভাইস্যা গেল। আমরা হগলে মিইল্যা তখন একটা বাঁধের উপর সংসার পাতছি । হঠাৎ দেখলাম পানিতে ভাসা একটা কাঠের গুড়িতে কি জানি নড়াচড়া করতেছে। কাছে গিয়া দেখি একটা জ্যান্ত বাচ্চা। ঐ বিপদের মধ্যে বাচ্ছাডারে কেউ নিতে রাজী হইলোনা। আমাগো কলিজার টুকরা সেই মালা এখন দেহেন কত বড় হইছে! মাসাল্লাহ।
এই কথা শুনে হঠাৎ যেন চৈতন্য ফিরে ফেল সানজিদা। তার মায়ের কথা মনে পড়ছে।খুব খারাপ লাগছে মায়ের জন্য। নূরজাহান বেগম মালাকে পেটে ধরেননি। অথচ কত ভালবাসে মালাকে। মা যতই রাগ দেখান না কেন তার মাও কল্পনার চেয়ে অনেক বেশি ভালবাসে তাকে। এতক্ষণে মা নিশ্চয়ই কেঁদে অস্থির। কত যায়গায় খবর লাগিয়েছে কে জানে! সানজিদা মনে মনে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলল, কাল সকালেই বাসায় ফিরে যাবে। মা কিছু বকা-সকা দিয়ে ঠিকই আবার বুকে টেনে নিবেন।

পাঁচ
রাত অনেক হয়েছে। শক্ত ইটে মাথা রেখে আর গায়ের উপর চটের বস্তা পেঁচিয়ে কি সুখে ঘুমাচ্ছে মানুষ তিনটি। লাখ টাকার বিছানায় শুয়েও মানুষ মনে হয় এত সুখে ঘুমাতে পারেনা। অনেক পুরানো, স্থানে স্থানে বড় ফুঁটা হয়ে যাওয়া আর ধূলিময় একটা ভারী কাঁথা অবশ্য আছে, আছে দুইটি ভয়ানক তেল ছিটছিটে বালিশও। সেগুলো দেয়া হয়েছে শাওন আর সানজিদাকে। তবে ওরা আগেই ঠিক করে রেখেছিল আজকের রাত না ঘুমিয়েই কাটাবে।

কাঁথাটা গায়ে জড়ানোর ইচ্ছে ছিলনা তাদের। কিন্তু রাত বাড়ার সাথে সাথে শীত যেন জ্যামিতিক হারে বাড়তে থাকলো। সানজিদার পাতলা চাদরে তখন আর শীত মানছেনা। ময়লা কাঁথাটা গায়ে জড়িয়ে বসে আছে ওরা। দুহাত দিয়ে সানজিদাকে জড়িয়ে রেখেছে শাওন। সানজিদা আরাম পাচ্ছেনা। জেগে থাকার ইচ্ছে থাকলেও চোখে ঘুম জড়িয়েছে সারাদিনের ক্লান্তিতে। তাই কখনও মাথা রাখছে শাওনের বুকের কাছে, তারপর আবার নড়েচড়ে বসে। শাওন তার কানের কাছে মৃদু স্বরে বলল,
এই সানজু, এমন রাত তো আর পাবোনা কোনদিন। চল না বাইরে যাই। শীতের রূপ দেখে আসি গিয়ে।
তোর কি মাথা খারাপ হয়েছে! শীতে মারা যাবি।
আরে না, কিছু হবেনা। চল।
আমার অত রোমাঞ্চ নেই, তোর ইচ্ছে হলে তুই যা।
হঠাৎ করে সানজিদাকে টান মারল শাওন। একদম বুকের সাথে মিশিয়ে ফেলল। সানজিদার চোখ মেলে গেল এবার। ঘুম ঘুম চোখে সে বলল,
কি নোংড়ামি হচ্ছে? অসভ্য কোথাকার। ছাড় বলছি।
ছাড়বোনা। সানজিদা তাকিয়ে রইল শাওনের দিকে।
শাওন নরম হয়ে আবারো বলল, আগে বাইরে চল।

সানজিদাকে প্রায় জোরপূর্বক বাইরে নিয়ে আসলো শাওন। কুয়াশা বেশি নেই, তবে হাড়-কাপানো শীত পড়ছে বাইরে। রাস্তার হলুদ ল্যাম্পোস্টগুলো ঘিরে কোন পোকাটি পর্যন্ত নেই। এক কাঁথায় জড়াজড়ি করে হাঁটছে ওরা। পিচডালা রাস্তায় লম্বা ছায়া পড়ছে। পেছন থেকে ওদের লাগছে ভূতের মত। হাঁটতে হাঁটতে কাওরান বাজারের ভেতর চলে এল ওরা। হঠাৎ করে থেমে গেল সানজিদা। তার চোখজোড়া ভয়ংকর কিছু আবিষ্কার করল। সে দেখতে পেল শুদু ফুটপাতেই নয়, রাস্তার ধারের ভ্যান আর সবজীর টুকরিগুলোতে মুমূর্ষের মত কাতরাচ্ছে কিছু মানুষ, শীতের জ্বালায় ঘুমাতে পারছেনা তারা। সানজিদার মনে হচ্ছে সে কোন ধ্বংসস্তূপের কিনারায় এসে পড়েছে। তার চোখ ভিজে গেল জ্বলে। পৃথিবী কি নিষ্ঠুর এখানে! পৃথিবীর মানুষগুলো কি নিষ্ঠুর! পৃথিবীটাকে একটা লাথি দিতে ইচ্ছে করছে তার। কেন এত বৈষম্য? কেন সবার সুখ সমান হয়না? কেন মানুষ কেবল নিজেকে নিয়ে বাঁচতে ভালবাসে? কি স্বার্থপর এই পৃথিবীর মানুষগুলো। পরের দুঃখ কখনও স্পর্শ করেনা তাদের। পৃথিবীর ধনী মানুষগুলোর প্রতি প্রচন্ড ঘৃণা হচ্ছে সানজিদার। একট কান্নার শব্দ শুনতে পেল সানজিদা। চেয়ে দেখল পাশেই একটি ছোট বাচ্ছা কাঁদছে; যতটা না ক্ষুধার জ্বালায়, তার চেয়ে বেশি শীতের জ্বালায়। সানজিদা সইতে পারলোনা সে দৃশ্য। কাঁথার নীচ থেকে তার গায়ের চাদরটি বের করে তাড়াতাড়ি জড়িয়ে ধরল শিশুটিকে। সানজিদা আবারো আসবে ওদের কাছে, তবে খালি হাতে নয়।
বিজ্ঞপ্তিঃ এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

৮৬ কমেন্টসমূহ
  • আশা
    আশা দারুণ এবং অসাধারণ একটি গল্প পড়লাম। এ মাসে গল্পকবিতায় আমার শুরুটা বলতেই হবে অন্যরকম হয়েছে। এতটাই জীবন ঘনিষ্ট গল্প লেখকের কুশলি কলমের টানে বেরিয়ে এসেছে যে- এবার তাকে ঠেকায় কে? তবে গল্পের প্লটটা আমার মনে ধরেছে খুব। আর গল্পতো সোজা হৃদয়ের কুটিরেই স্থান করে ন...  আরও দেখুন
    ৩১ ডিসেম্বর, ২০১১
  • প্রজাপতি মন
    প্রজাপতি মন কি স্বার্থপর এই পৃথিবীর মানুষগুলো। পরের দুঃখ কখনও স্পর্শ করেনা তাদের। পৃথিবীর ধনী মানুষগুলোর প্রতি প্রচন্ড ঘৃণা হচ্ছে সানজিদার। একট কান্নার শব্দ শুনতে পেল সানজিদা। চেয়ে দেখল পাশেই একটি ছোট বাচ্ছা কাঁদছে; যতটা না ক্ষুধার জ্বালায়, তার চেয়ে বেশি শীতের জ্ব...  আরও দেখুন
    ১ জানুয়ারী
  • মোঃ শামছুল আরেফিন
    মোঃ শামছুল আরেফিন দেশি বন্ধু আশা, আমার গল্পে প্রথম তোমাকে পেলাম। খুব ভাল লাগছে। তোমার আশা জাগানিয়া মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
    ১ জানুয়ারী
  • মোঃ শামছুল আরেফিন
    মোঃ শামছুল আরেফিন আপু প্রজাপতি মন, আপনি ভাষায় প্রকাশ করতে পারছেন না, তবে আমি ঠিকই বুঝে নিয়েছি। অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
    ১ জানুয়ারী
  • নিরব নিশাচর
    নিরব নিশাচর শেষে এসে যেন প্রজন্মের দায়ভারের স্বপ্ন দেখতে পেলাম সানজিদার চোখে... শেষ বাক্যটির উপস্থাপন অনেক সুন্দর হয়েছে... ম্যাদামারা এক প্রেমিকের চৈতন্যোদয় / সাহসী হয়ে উঠার গল্প...
    ১ জানুয়ারী
  • বিষণ্ণ সুমন
    বিষণ্ণ সুমন তোমার কুশলী হাতে ভীষণ তরতরে ভাষায় ঝরঝরে একটা গল্প পেলাম । ঝপাত করে শেষ হয়ে যাওয়াই একটু মন খারাপ হলো । আরো একটু বড় করলে মন্দ হতনা । খাবার যদি ভালো হয় তাহলে বেশি খেতে কারই আপত্তি হবার কথা নয়। বেশ ভালোভাবেই কামব্যক করতে পেরেছ তুমি, সেই জন্য অন্তর থেকে ধন্যবাদ ।
    ১ জানুয়ারী
  • প্রণয়পীড়িত
    প্রণয়পীড়িত আমার কেন জানি মনে হচ্ছে শাওন হলো আমাদের মাহী আর ............. অনেক ভালো, অনেক অনেক ভালো লাগলো
    ১ জানুয়ারী
  • সূর্য
    সূর্য গল্পকবিতার এই আসরে প্রায়ই তরুণ কয়েক জনের নাম নিয়ে আমি বেশ উচ্ছাস দেখাই। তাদের মাঝে তুমি অন্যতম। কেন সেটার জবাব তোমার লেখাই। এত সুন্দর একটা প্রেমের গল্প ফেদে শেষে যে রকম একটা ইউটার্ণের টুইস্ট দিলে সেটা করার সাহস অনেক গল্পকারই দেখাবে না। ধারাটা যেন উপরে ওঠ...  আরও দেখুন
    ১ জানুয়ারী
  • মোঃ শামছুল আরেফিন
    মোঃ শামছুল আরেফিন নীরব ভাইয়া, গল্পে শুধু শাওন নয় সানজিদারও শুভ চৈতন্যের উদয় হয়েছে। বাহিরের জগত কত রিক্ত আর ভয়ানক হতে পারে সেদিন তারা সে শিক্ষা পেল। সানজিদা তাই আবার ফিরে যাবে ঐ দুঃস্থ মানুষগুলোর কাছে সেই প্রতীজ্ঞা করল। আর অসহায় আর বঞ্চিত মানুষদের সাহায্য করা এটা তো আমাদের ...  আরও দেখুন
    ১ জানুয়ারী
  • মোঃ শামছুল আরেফিন
    মোঃ শামছুল আরেফিন সুমন ভাইয়া এই সংখ্যায় আপনাকে আগে পেয়ে খুব ভাল লাগলো। আপনারাই তো আমার অনুপ্রেরণা। আমি রুস্তমের মা গল্পের পর থেকে যত গল্প লিখেছিলাম সব গল্পগুলোন ৩০০০ শব্দ অতিক্রম করেছিল। এইবার তাই চেষ্টা করেছি তুলনামূলকভাবে ছোট করতে। ২১০০ শব্দের মাঝেই শেষ করতে পেরেছি। আপনা...  আরও দেখুন
    ১ জানুয়ারী
  • মোঃ শামছুল আরেফিন
    মোঃ শামছুল আরেফিন আশফাক ভাইয়া... মাহী ভাই কি এমন কোন কাহিনী করেছিল? থাকলে প্রকাশ করে দিন। দেখি ওনাকে নিয়ে কোন গল্প লিখতে পারি কিনা। তবে গল্পে শাওন চরিত্রটি কাল্পনিক। আর সানজিদা নাম দিয়েছি আমার এক বন্ধুর নামানুসারে। অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
    ১ জানুয়ারী
  • মোঃ শামছুল আরেফিন
    মোঃ শামছুল আরেফিন সাইফুল ভাইয়া, আপনারাই আমার লেখার শক্তি। গল্পকবিতায় আমি যে গল্পটি প্রথম দিয়েছিলাম সেটি ছিল আমার লেখা প্রথম গল্প। যখন সে গল্পটি লিখেছিলাম তখন ভেবেছিলাম দ্বিতীয়বার আমি গল্প লিখতে গেলে পারবোনা। কিন্তু লিখতে লিখতে এই নিয়ে ১০টি গল্প লিখে ফেললাম এ কেবল আপনাদের অ...  আরও দেখুন
    ১ জানুয়ারী
  • আহমাদ মুকুল
    আহমাদ মুকুল খুবই সুন্দর একটা লেখা। গল্পটার যেভাবে শুরু, যেভাবে এগিয়েছে হঠাৎ চৈতন্যোদয়ে ভিন্ন মোড় নিল। নামকরণে সার্থক। তবে মনে হয় গল্পটা স্বাভাবিক পথে থাকলে আরো অনেক আকর্ষনীয় হত। গল্পকার আরেফিন প্রতিষ্ঠাকাল পেরিয়ে অনেক দূর এগিয়ে গেছে। অগ্রগতি কামনায় বন্ধুবর সূর্যের সা...  আরও দেখুন
    ১ জানুয়ারী
  • মোঃ শামছুল আরেফিন
    মোঃ শামছুল আরেফিন মুকুল ভাইয়া, অনেক অনেক ধন্যবাদ। আমি ভাইয়া কতদূরই বা গিয়েছি আর! তবে এটা জানি এখনও যেতে হবে অনেকদূর। দিতে হবে মহাসাগর পাড়ি। আপনার কমেন্ট ভাইয়া আমাকে অনেক অনেক উতসাহিত করল। আপনাকে ধন্যবাদ দেয়ার ভাষা আমার নেই।
    ২ জানুয়ারী
  • আনিসুর রহমান মানিক
    আনিসুর রহমান মানিক বেশ লাগলো /
    ২ জানুয়ারী
  • nilanjona nil
    nilanjona nil অসাধারণ একটি গল্প পড়লাম !! সুন্দর ভাবনা!
    ২ জানুয়ারী
  • রোদের ছায়া
    রোদের ছায়া টুকরো টুকরো ভিন্নমাত্রার ভালবাসার কথায় গল্পটি মন কেড়ে নিল......
    ২ জানুয়ারী
  • মোঃ শামছুল আরেফিন
    মোঃ শামছুল আরেফিন ভাই আনিসুর রহমান...আপনার কমেন্টগুলো সবসময় দুটো অথবা তিনটি শব্দের মধ্যে সীমাবদ্ধ। গল্প বেশ লেগেছে জেনে আমারও বেশ লাগছে। গল্প পড়ার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
    ২ জানুয়ারী
  • মোঃ শামছুল আরেফিন
    মোঃ শামছুল আরেফিন নীলাঞ্জনা আপু... আরও অনেক ভাবনা ছিল, কিন্তু গুচিয়ে লিখতে পারিনি। গল্পটি পড়েছেন দেখে খুব ভাল লাগলো। অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
    ২ জানুয়ারী
  • মোঃ শামছুল আরেফিন
    মোঃ শামছুল আরেফিন মৌসুমি আপু...আমার গল্পে আপনাকে এই প্রথম পাওয়া। গল্পটি আপনার মন কাড়তে পেরেছে এখানেই আমার লেখার সার্থকতা। অনেক অনেক ধন্যবাদ।
    ২ জানুয়ারী
  • লুতফুল বারি পান্না
    লুতফুল বারি পান্না দারু উ উ উ উ উ ন। চমৎকার, অসাধারণ আরেফিন। অনুভূতি জাগিয়ে তোলার মত গল্প- অথচ শুরুর দিকে নেহাত সাদামাটা মনে হচ্ছিল।
    ৩ জানুয়ারী
  • লুতফুল বারি পান্না
    লুতফুল বারি পান্না নামটা নিয়ে কি আরেকবার ভাবা যায়?
    ৩ জানুয়ারী
  • মোঃ শামছুল আরেফিন
    মোঃ শামছুল আরেফিন অনেক অনেক ধন্যবাদ পান্না ভাইয়া। নামটা নিয়ে ভাইয়া আসলে ভাবিনি। মনে আসল তাই দিয়ে দিলাম। নামে কি কোন ভুল হয়েছে ভাইয়া?
    ৩ জানুয়ারী
  • জুনাইদ আলহাবিব
    জুনাইদ আলহাবিব দারুন হয়েছে। ভ্রাতা।
    ৩ জানুয়ারী
  • মোঃ আক্তারুজ্জামান
    মোঃ আক্তারুজ্জামান তরুণ লেখকের লেখা গল্পে রোমান্টিকতার ছোয়া বেশ ভালই লাগছিল শেষ প্যারায় বাস্তবতার উস্টা (ঝাড়ি, ম্যাদামারার মত শব্দ) খেয়ে ঘোর কেটে গেছে| সবটুকু ভালো লাগা জানিয়ে গেলাম লেখককে| শুভাশীষ অনেক অনেক|
    ৩ জানুয়ারী
  • তৌহিদ উল্লাহ শাকিল
    তৌহিদ উল্লাহ শাকিল গল্পের শুরু থেকে চমক আসতে থাকে একের পর এক । গ্রাম নিয়ে লিখবে না বলেছিলে তাই এবার শহরের মানুশদেরকে নিয়ে লিখেছ । গল্পের প্লট অনেক বাস্তবসম্মত এবং জীবন মুখি। একটি কথা তুমি যাই নিয়ে লিখতে চাও না কেন তাতে বাস্তবতার মিশেল থাকলে গল্পটি জীবন্ত হয় । প্রেমের পর বস্...  আরও দেখুন
    ৩ জানুয়ারী
  • মোঃ শামছুল আরেফিন
    মোঃ শামছুল আরেফিন ভ্রাতা জুনাইদ আলহাবিব, দারুন লেগেছে জেনে ভাল লাগলো। গল্প পড়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
    ৩ জানুয়ারী
  • মোঃ শামছুল আরেফিন
    মোঃ শামছুল আরেফিন আক্তারুজ্জামান ভাইয়া, আপনাদের ভালোলাগাই তো আমাকে দুকলম লেখার সাহস যোগায়। আমার গল্পে আপনাকে পেয়ে অনেক অনেক ভাল লাগছে।
    ৩ জানুয়ারী
  • মোঃ শামছুল আরেফিন
    মোঃ শামছুল আরেফিন শাকিল ভাইয়া আপনি দেশে আসবেন সেই অপেক্ষায় আছি। গ্রাম নিয়ে লিখবনা আপাতত আর। আর অবশ্যই ভাইয়া চেষ্টা করে যাব সবসময় আপনাদেরকে বাস্তবসম্মত লেখা উপহার দিয়ে যাবার জন্য। আমার গল্পে আপনাকে পেয়েছি, এটা আমার অনেক বড় পাওনা। অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।
    ৩ জানুয়ারী
  • মামুন ম.আজিজ
    মামুন ম.আজিজ সহজ সুন্দর সাবলিল বর্ননায় একটি অতি অসাধারণ বাস্তব্তার দিকে এগিয়ো যাওয়ার গল্প। রোমান্টিসিজম যেমন পেলাম তেমনি বেদনার বিমূর্ত রূপ। আরেফিন ছেলেটা একদিন অনেক বড় কতা সাহিত্যক হবে নিষ্চিত।
    ৪ জানুয়ারী
  • মোঃ শামছুল আরেফিন
    মোঃ শামছুল আরেফিন মামুন ম. আজিজ ভাইয়া আপনি তো আমার হৃদ-স্পন্দন অনেক বাড়িয়ে দিলেন। আমাকে নিয়ে আপনাদের যে প্রত্যাশা তা যেন সত্যি হয় সেই স্বপ্ন দেখতে শুরু করলাম। আমার চেষ্টা অব্যহত থাকবে ইনশাল্লাহ।
    ৪ জানুয়ারী
  • খোরশেদুল আলম
    খোরশেদুল আলম মোঃ শামছুল আরেফিন ভাই, মুগ্ধ হলাম গল্পের নরম নরম কথায় সুন্দর বর্ণনায়। শুভ কামনা।
    ৪ জানুয়ারী
  • Kh Anisur Rahman Joti
    Kh Anisur Rahman Joti শামসুল আরেফিনের গল্পে টান টান উত্তেজনা থাকে। যা কিনা একজন গল্পকার অথবা উপন্যাসিকের জন্য খুব জরুরী । খুব ভালো লাগল। ধন্যবাদ শামসুল আরেফিন আপনাকে..........পছন্দের তালিকায় .................
    ৫ জানুয়ারী
  • মিজানুর রহমান রানা
    মিজানুর রহমান রানা ঠাৎ করে থেমে গেল সানজিদা। তার চোখজোড়া ভয়ংকর কিছু আবিষ্কার করল। সে দেখতে পেল শুদু ফুটপাতেই নয়, রাস্তার ধারের ভ্যান আর সবজীর টুকরিগুলোতে মুমূর্ষের মত কাতরাচ্ছে কিছু মানুষ, শীতের জ্বালায় ঘুমাতে পারছেনা তারা। সানজিদার মনে হচ্ছে সে কোন ধ্বংসস্তূপের কিনারায...  আরও দেখুন
    ৫ জানুয়ারী
  • মনির মুকুল
    মনির মুকুল আপনার গল্পগুলোয় পরিপূর্ণভাবে বাস্তবতার ছবি ফুটে ওঠে। তবে এটাতে একটুখানি কল্পনার মিশ্রণ আছে। তাতে কোনো অসুবিধা নেই। কারণ, গল্পের মধ্যে গল্প ঢুকানোর অনুমতি আছে (প্রথম ‘গল্প’টা সাহিত্যের ক্যাটাগরি, দ্বিতীয়টা কল্পনার কাহিনী)। সচরাচর শহুরে জীবনে অপরিচিত কাউকে ...  আরও দেখুন
    ৬ জানুয়ারী
  • খন্দকার আযাহা সুলতান
    খন্দকার আযাহা সুলতান আরেফিন, তোমার গল্প আমাকে সব সময় আকৃষ্ট করে......এ গল্পটাও ভিষণ ভাল লাগল......আমরাও কামনা করি, সানজিদা যেন ভরা হাতে এসব সর্বহারাদের জড়িয়ে ধরে........
    ৬ জানুয়ারী
  • সেলিনা ইসলাম
    সেলিনা ইসলাম অসাধারন একটা গল্প কিছু কিছু উপমা এত ভাল লেগেছে যা একজন পাকা হাতের লেখকের হাতের স্পর্শেই সম্ভব ! শুভেচ্ছা ও শুভকামনা
    ৬ জানুয়ারী
  • মোঃ শামছুল আরেফিন
    মোঃ শামছুল আরেফিন খোরশেদুল আলম, খন্দকার আনিসুর রহমান এবং মিজানুর রহমান রানা ভাইয়া অনেক অনেক ধন্যবাদ। আমার গল্পে যে আপনারা সময় দিয়েছেন এবং কমেন্ট করেছেন অনেক অনেক ধন্যবাদ।
    ৬ জানুয়ারী
  • মোঃ শামছুল আরেফিন
    মোঃ শামছুল আরেফিন মুকুল ভাইয়া আপনার প্রতি আমি সবসময় কৃতজ্ঞ কারণ আপনি আমার ভুলগুলো ধরিয়ে দেন। এইবারো দিয়েছেন। অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। গল্পে ভাইয়া কল্পনার আশ্রয় ছিল। গল্পের প্রয়োজনেই আনতে হয়েছে।
    ৬ জানুয়ারী
  • মোঃ শামছুল আরেফিন
    মোঃ শামছুল আরেফিন সুলতান দা আপনাকে পেয়ে অনেক অনেক ভাল লাগলো। আপনার আমার কামনা যেন সত্যি হয়। যেন গল্পের সানজিদার মত হাজার সানজিদা এগিয়ে আসে মানবতার সার্থে।
    ৬ জানুয়ারী
  • মোঃ শামছুল আরেফিন
    মোঃ শামছুল আরেফিন সেলিনা আপনাকে গল্পে পেয়ে ভাল লাগলো। উপমাগুলো কি আসলেই অসাধারণ ছিল? অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু আপনাকে।
    ৬ জানুয়ারী
  • tani hoqe
    tani hoqe অফ ..ভাইয়া গল্প টা ..কি ভীষণ ভালো লাগছিল ..কিন্তু আমার ছেলে আমাকে আর নেটে বসতে দিচ্ছেনা ..এখন উঠতে হচ্ছে !তবে কথা দিচ্ছি আবার এসেই তোমার গল্প টি প্রথমেই পড়ব....ok ?
    ৬ জানুয়ারী
  • জুঁইফুল
    জুঁইফুল এক, দুই করে পড়তে পড়তে 'পাঁচ' এ এসে চোখ ভিজে টপ টপ করে জল নেমে এলো। এতটাই অনুভূতিপ্রবণ, হৃদয়গ্রাহী ও শেষে শিক্ষামূলক বোধদয়ের একটি গল্প লিখেছেন আপনি। খুবই ভালো লাগলো। খুবই।
    ৬ জানুয়ারী
  • ফাতেমা প্রমি
    ফাতেমা প্রমি আমার তো অসাধারণ লেগেছে....সকালে পড়লাম....আমার মাথায় ঢুকে আমার গল্পের আইডিয়া চুরি করার দায়ে তর শাস্তি পাওনা আছে....যারা বেশি ভালো লেখে তাদের আমার দেখতে ইচ্ছে করে না!!!!! তোর জন্য তীব্র তিরস্কার.... :p
    ৬ জানুয়ারী
  • amar ami
    amar ami এখন পর্যন্ত যে কয়টি গল্প পরেছি তার মধ্যে এই গল্পের একটু আলাদা......প্রচন্ড শীতের মাঝেও কিছু ভালবাসা, যা শুধু নতুন দম্পতির মধ্যে না থেকে সবার মাঝে চলে এসেছে. বিষয়টা সত্যি দারুন
    ৬ জানুয়ারী
  • tani hoqe
    tani hoqe অসাধারণ গল্প ..সানজিদার মত আমাদের সবার জীবনে এমন বাস্তব উপলব্ধি আসুক..এই কামনা ..ভাইয়া কে অনেক অনেক দোয়া ..এবং সুভেচ্ছা ..ও ..সময়ে করে আপুর..প্রতিবাদী রুমার ..অনুভুতি জানিও কিন্তু ....খুব খুব ভালো থাক প্রিয় ভাই ...
    ৬ জানুয়ারী
  • মোঃ শামছুল আরেফিন
    মোঃ শামছুল আরেফিন তানি আপু...... প্রথম কমন্টে বলেছিলেন ভাগিনার জালায় নেটে বসতে পারছেন না, পরে আসবেন। পরে আপনি আবার সত্যি সত্যিই আসলেন। খুব ভাল লাগছে দুবার আপনাকে পেয়ে। আমার গল্প আপনাকে দুবার আনতে পেরেছে, এটা তো আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া। ধন্যবাদ আপনাকে।
    ৭ জানুয়ারী
  • মোঃ শামছুল আরেফিন
    মোঃ শামছুল আরেফিন জুইফুল আপু... জানেন জুই নামে আমার একটা বন্ধুও আছে। জুই নামে একটা আপু পেলাম খুব ভাল লাগছে। আমার গল্প যে আপনার চোখে জল এনেছে তাহলে বুঝতে হবে আমি আগের চেয়ে ভাল লিখছি। দোয়া করবেন আপু এই ধারা যেন অব্যহত থাকে।
    ৭ জানুয়ারী
  • মোঃ শামছুল আরেফিন
    মোঃ শামছুল আরেফিন প্রমি আপুনি......... শাস্তি টা কি মুখ দিয়ে দিবে? নাকি আমার পিঠে দিবে। তবে যাই করোনা আপুনি, পুলিশে দিওনা কিন্তু। নইলে কিন্তু তোমার ভাইমণির অবস্থা শেষ হয়ে যাবে। ...P:)
    ৭ জানুয়ারী
  • মোঃ শামছুল আরেফিন
    মোঃ শামছুল আরেফিন আমার আমি...... আপনাকে পেলাম ভাবি বহুদিন পরে। এতদিন কোথায় ছিলেন? ভালবাসা অনেক বেশি ছিল তাই না? দেখি আরো বাড়ানো যায় কিনা।
    ৭ জানুয়ারী
  • সেলিনা ইসলাম
    সেলিনা ইসলাম আমি সবার লেখাগুলো কখনোই শেষ করতে পারিনা কারন সময়ের স্বল্পতা এবং এটা আমার ব্যর্থতাও বলা চলে । আমি যার লেখাই পড়িনা কেন একজন পাঠক হিসাবেই বেশ খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পড়বার আপ্রাণ চেষ্টা করি এবং যা সত্যি তাই বলে থাকি কারন অহেতুক বাহবা দিলে লেখকের কতটা উপকার হবে জানি ...  আরও দেখুন
    ৭ জানুয়ারী
  • পাঁচ হাজার
    পাঁচ হাজার শাওনের চরিত্রে হুমায়ন আহমেদের হিমু ভর করেছিল মনে হচ্ছিল। এ এক আজব ব্যাপার আমরা সব কিছুতেই সিমিলারিটি খুজি হা হা হা । গল্পের নামকরণটা খুব মনযোগ না দেয়ায় একটা নিটোল প্রেমের মজার আখ্যান ভেবেই নিয়েছিলাম। শেষে এসে যখন সত্যিই চেতনা বোধ জাগ্রত হলো তখন নামের ...  আরও দেখুন
    ৭ জানুয়ারী
  • মোঃ শামছুল আরেফিন
    মোঃ শামছুল আরেফিন সেলিনা আপু, আপনি মনে হয় আমাকে ভুল বুঝেছেন। আমার উপমাগুলো অসাধারণ হয়েছে এটা শুনে আমার খুব ভাল লেগেছিল। বারবার শুনতে ভাল লাগে এমন কমেন্ট। তাই আবার প্রশ্ন করেছিলাম। আপনি যে আবারো এসে আপনার ভাল লাগা জানিয়ে গেলেন, এই জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু।
    ৭ জানুয়ারী
  • মোঃ শামছুল আরেফিন
    মোঃ শামছুল আরেফিন ভাই পাচ হাজার, ইহ জীবনে কেবল হিমুর নীল জোছনা নামে একখানা বই পড়িয়াছিলাম আরো ১ বছর আগে। হিমু সিরিজের আর কোন বই পড়া হয়নি। হিমুর তত্ত তাই এখনও আমার কাছে খনিতে থাকা গুপ্তধনের মত। আগে সকল হিমুর বই পড়ে শেষ করব, তারপর আপনার মতামতের সাথে মিলিয়ে দেখব। আপনাকে ধন্যবাদ।
    ৭ জানুয়ারী
  • বশির আহমেদ
    বশির আহমেদ অসম্ভব ভাল মানের একটি গল্প । বিষয় বস্তু যেমন সমকালীন তেমনি গল্পের বুনন । ধন্যবাদ লেখক কে ।
    ৭ জানুয়ারী
  • মোঃ শামছুল আরেফিন
    মোঃ শামছুল আরেফিন বশীর ভাইয়া...আমি শুধু চেষ্টা করেছি মাত্র। আপনার ভাল লেগেছে জেনে ভাল লাগল। আপনাকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ।
    ৮ জানুয়ারী
  • আবু ওয়াফা মোঃ মুফতি
    আবু ওয়াফা মোঃ মুফতি বেশ ভাল লাগল|
    ৮ জানুয়ারী
  •  বিন আরফান.
    বিন আরফান. বরাবরের মতই অসাধারণ.
    ৮ জানুয়ারী
  • Mohammad Alvi
    Mohammad Alvi অসাধারণ একটি লেখা.....শীতের রোমান্টিকতা আর নির্মমতা একসাথে ফুটে উঠেছে শক্তিশালী লেখনীতে
    ৯ জানুয়ারী
  • মোঃ শামছুল আরেফিন
    মোঃ শামছুল আরেফিন বিন আরফান ভাই, সবসময় কেবল অসাধারণ বলে কমেন্ট করে যান। ভাই একটু সমালোচনা করেন না। আপনার ভালবাসাই কেবল পেয়ে গেলাম। তাই বলে কি গল্পেও কেবল ভালোলাগাই প্রকাশ করে যাবেন?
    ৯ জানুয়ারী
    বিন আরফান. এর উত্তর অনেক পূর্বেই দিতে পারতাম, দেই নি. আজ দিতে হবে, নাকি প্রমান পেয়েছ? অসাধারণ বলা ভালবাসা নয়. ভালো আমি বাসী সত্য তবে গল্প পচা হতে তা বলিনা. প্রকৃত পক্ষেই আপনি এখানে যত লেখক আছে তাদের মধ্যে ভালবাসার একজন আর তা আপনার লেখার গুনেই সম্ভব হয়েছে. অভিনন্দন .
  • জুয়েল দেব
    জুয়েল দেব শাওন আর সানজিদা হেঁটে চলেছে রাস্তার ল্যাম্পপোস্টগুলোকে পেছনে ফেলে রেখে...গল্পটা এখানে শেষ করলেন না কেন ভাই? আমরা তো জানি, আমাদের ফুটপাতে শুয়ে কিছু মানুষ শীতে কাতরায়, আর কিছু মানুষ উষ্ণ কম্বলের নীচে খুব আরামে শুয়ে থাকে। তবু স্বপ্ন দেখতে ইচ্ছে করে, একদিন সব...  আরও দেখুন
    ৯ জানুয়ারী
  • মোঃ শামছুল আরেফিন
    মোঃ শামছুল আরেফিন জুয়েল দেব ভাই, আপনার কথামত সেখানেই শেষ করতে পারলে ভাল লাগত। কিন্তু পারলাম না। আপনার কামনা যখন সত্যি হবে সেদিন গল্পটি আবার নতুন করে লিখব। ধন্যবাদ আপনাকে।
    ১০ জানুয়ারী
  • ফাতেমা প্রমি
    ফাতেমা প্রমি আরেফিন শান্তি হলো তোর গল্পে আমি অনেক বার কমেন্ট করব....যতবার ইচ্ছা!!!!! হি হি হি ..... :p
    ১০ জানুয়ারী
  • মোঃ শামছুল আরেফিন
    মোঃ শামছুল আরেফিন এত মধুর শাস্তি দিবে আপুনি? আমি তো ভেবেছিলাম পিঠের উপর কয়েক ঘা বসিয়ে দেবে।
    ১০ জানুয়ারী
  • মোহাম্মদ শামসুল আলম
    মোহাম্মদ শামসুল আলম বেশ ভাল লাগল
    ১১ জানুয়ারী
  • আহমেদ সাবের
    আহমেদ সাবের “বাদাম খাবোনা আমি। ছোটলোক কোথাকার! একটাকার বাদাম কিনিস।“ - পড়ে ভেবেছিলাম, শাওন বুঝি একটা কঞ্জুস ছেলে। পরে জানা গেল, ওরা ছিনতাইকারীদের পাল্লায় পড়েছিল। তার পরেও সানজিদা কেন বার বার শাওনের উপর রেগে যাচ্ছিল এবং এক টাকার বাদাম কেনা নিয়ে খোঁচা দিচ্ছিল? “দুই টাক...  আরও দেখুন
    ১১ জানুয়ারী
  • মোঃ শামছুল আরেফিন
    মোঃ শামছুল আরেফিন মোহাম্মদ শামসুল আলম ভাইয়া গল্প পড়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। ভাল লেগেছে জেনে ভাল লাগলো।
    ১১ জানুয়ারী
  • মোঃ শামছুল আরেফিন
    মোঃ শামছুল আরেফিন চাচা গল্পে আপনাকে পেয়ে খুব ভাল লাগলো। তবে চাচা আপনি যে অসংগতির কথা বলেছেন সেখানে আসলে আপনার বুঝার কিছু ভুল ছিল। শাওনকে বকা দেয়ার মূল কারণ ছিল শাওনের বাদামওয়ালা ছেলেটির কাছে একটা বাদাম চেয়ে নেয়া, ছেলেটি শাওনকে অপমান করার পরেও কোন প্রতিবাদ না করা এবং বাদামও...  আরও দেখুন
    ১১ জানুয়ারী
  • সালেহ মাহমুদ
    সালেহ মাহমুদ আরেফিন গল্প ভালোই হয়েছে। তবে আরো আঁটোসাটো হতে হবে। আর বানান ভুলগুলো ঠিক করে নিতে হবে। যেমন- হাঁসে= হাসে; বাচ্ছা= বাচ্চা; নোংড়ামি= নোংরামি; তেল ছিটছিটে= তেল চিটচিটে; এই তো। আরো কিছু টুকটাক আছে, দেখে নিও। গল্পের ম্যাসেজ ভালো। অনেক ধন্যবাদ।
    ১২ জানুয়ারী
  • পন্ডিত মাহী
    পন্ডিত মাহী ঐ মিয়া কি সব আজে বাজে গল্প লেখেন। আর খালি খালি ভোট আদায় করে নেন। যান পচা বাদামটা ছাড়া বাকি গুলো দিলাম, একাই খাইয়েন...
    ১২ জানুয়ারী
  • পন্ডিত মাহী
    পন্ডিত মাহী আমাকে নিয়ে গল্প লিখতে গেলে শেষ হবে না। ভালোবাসা সংখ্যা কোনদিন ফিরে এলে, আমাদের ভালোবাসার গল্পখানি লিখবো... ভেবে রেখেছি আগেই...
    ১২ জানুয়ারী
  • মোঃ শামছুল আরেফিন
    মোঃ শামছুল আরেফিন সালেহ মাহমুদ ভাইয়া আঁটোসাঁটো শব্দটির মানে ঠিক মত বুঝতে পারিনি। কাল আপনার কাছ থেকে ভালভাবে বুঝে নিবো। বানান ভুলোগুলোর জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত। আমার বাংলা জ্ঞান যে কত কম ভাবতেই লজ্জা লাগে। অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
    ১২ জানুয়ারী
  • মোঃ শামছুল আরেফিন
    মোঃ শামছুল আরেফিন পন্ডিত ভাই, এত বস্তা পচা গল্প পড়ে আপনার মহান হৃদয়ের পরিচয় দিলেন। যদিও সেদিন তো পচা বাদাম দিয়া আমারে ভালই বাঁশ দিলেন। আর এখন দিলেন ভাল বাদাম। কিন্তু লাভ নাই তো। সানজিদা আমাকে ছাইড়া চইলা। এর মূলে কিন্তু আপনি। কেন আপনি ঐদিন পচা বাদাম খাইয়েছিলেন!
    ১২ জানুয়ারী
  • F.I. JEWEL
    F.I. JEWEL # গল্পের প্লট অনেক ভালো । তারচেয়েও লেখনীর ষ্টাইল আরো ভাল । শুরু থেকে শেষ পযর্ন্ত দারুন হয়েছে ।===৫ দিলাম ।
    ১২ জানুয়ারী
  • Shahnaj Akter
    Shahnaj Akter oshadharon Golpo.........
    ১৫ জানুয়ারী
  • মোঃ শামছুল আরেফিন
    মোঃ শামছুল আরেফিন ভাইয়া এফ আই জুয়েল এবং আপু শাহনাজ আক্তার, আপনাদের মূল্যবান মতামতের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
    ১৫ জানুয়ারী
  • রওশন জাহান
    রওশন জাহান অনেকদিন পর তোমার চমত্কার একটি গল্প পড়লাম.এগিয়ে যাও এই গতিতে. শুভকামনা থাকলো.
    ১৫ জানুয়ারী
  • রনীল জহির
    রনীল জহির গল্প যে প্যাটার্নের উপর দাড় করিয়েছেন, সেটা করার জন্য যথেষ্ট সাহস এবং দক্ষতার প্রয়োজন হয়... বোঝা গেল এর দুটোই আপনার কাছে আছে। শুরুতে জমতে একটু সময় লেগেছে, কিন্তু এরপরের চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করে গল্প এগিয়ে নিয়ে গেছেন তরতর করে... অনেক ভালো লাগলো... শুভ কামনা।
    ১৫ জানুয়ারী
  • মোঃ শামছুল আরেফিন
    মোঃ শামছুল আরেফিন রওশন আপু, অনেকদিন পর পেলাম আপনাকে। ভাল লাগছে আপনার কমেন্ট পেয়ে। অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
    ১৬ জানুয়ারী
  • মোঃ শামছুল আরেফিন
    মোঃ শামছুল আরেফিন রনীল ভাই, এইবার আপনাকে অনুরোধ করে এনেছিলাম আমার গল্পে। কারণ হচ্ছে আপনার কমেন্ট মিস করা। গল্পে এসে আপনার মূল্যবান মতামত দিয়েছেন এবং আমাকে অনেক উৎসাহ জুগিয়েছেন সেই জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
    ১৬ জানুয়ারী
  • মুহাম্মাদ মিজানুর রহমান
    মুহাম্মাদ মিজানুর রহমান ভাগ্নে, তুমি তো দেখছি সবাইকে টপকে যাবে এইবার.......অসাধারণ.......
    ২৭ জানুয়ারী
  • প্রজ্ঞা মৌসুমী
    প্রজ্ঞা মৌসুমী দারুণভাবে শুরু হলো। প্রাণবন্ত লেখনী। দুজনের ঘোর ছিনতাইকারী আর মৌলিক চাহিদার ধাক্কায় যেভাবে সরালে, ভালো লাগলো। ভাবছিলাম কি হবে ওদের পরের দিন। কিন্তু শেষে এসে ঐ চিন্তা হারিয়ে গেল।সলীলদার গানটা মনে পড়লো "আজ নয় গুন গুন গুঞ্জন প্রেমের...আসুক সারা বিশ্বের বেদ...  আরও দেখুন
    ৩০ জানুয়ারী
  • সালেহ মাহমুদ
    সালেহ মাহমুদ গরম গরম শুভেচ্ছা আরেফিন। খুব ভালো লাগলো।
    ১৫ ফেব্রুয়ারী
  • ইসমাইল বিন আবেদীন
    ইসমাইল বিন আবেদীন অভিনন্দন...............
    ১৬ ফেব্রুয়ারী
    মোঃ শামছুল আরেফিন ধন্যবাদ ভাইয়া।
  • Sisir kumar gain
    Sisir kumar gain অনেক সুন্দর শীতের গল্প, হৃদয়কে স্পর্শ করে যায়। লেখার হাতও ভাল। লেখা চালিয়ে যেয়ো। "একুশে ফেব্রুয়ারী" সংখ্যার লেখা না পেয়ে শীত সংখ্যা পড়ে ফেললাম।শুভ কামনা রইল।
    ২৭ ফেব্রুয়ারী
  • খোন্দকার শাহিদুল হক
    খোন্দকার শাহিদুল হক বাহ! বিলম্বে হলেও পড়তে পেরে ভাল লাগছে। সত্যিই দারুন। শুভ কামনা আপনার জন্য।
    ৮ মার্চ
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar