সমন্বিত স্কোর

৪.৪৫

বিচারক স্কোরঃ ২.২৬ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ২.১৯ / ৩.০

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: 21 October, 1977
গল্প/কবিতা: ১৭টি
ভালো না লাগলে পরামর্শ দিবেন... ভোট আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়... তবে আপনাদের মন্তব্য পড়তেই বারেবারে লগ ইন করি...
Facebook Share
আপনি সহজেই এই লেখাটি ফেসবুক একাউন্টে পোস্ট করে আপনার বন্ধুদের দেখাতে পারেন!



আগামী সংখ্যার বিষয়

“অন্ধকার”

লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ
২৯ মে, ২০১৩
প্রতিযোগিতার নিয়মাবলী

আগামী সংখ্যার উপহার

বিচারক ও পাঠকদের ভোটে সেরা ৩টি গল্প ও ৩টি কবিতা পুরস্কার পাবে।
প্রথম পুরস্কার ১৫০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।
দ্বিতীয় পুরস্কার ১০০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।
তৃতীয় পুরস্কার সনদপত্র।

ফেব্রুয়ারী ২০১২ সংখ্যাঃ ২১শে ফেব্রুয়ারী


১০৪ মন্তব্য সমূহ  |   ৪টি পছন্দ ৪৩৩ বার দেখা হয়েছে

বোবা গোঙানি / [ চক্রবৃদ্ধি অস্থিরতা ]

কবিতা : নিরব নিশাচর
এই কণ্ঠে তোমাকে তুলে আনতে পারলাম না আজোবধি,
পারলাম না তোমাকে বিভিন্ন বিন্যাসে প্রিয়তমার কানে তুলে দিতে
অথবা মায়ের কোলে মাথা রেখে তোমার আশ্রয়ে দুটো গল্প শোনাতে কোনোদিন ।
বুকের এক পাশে আজো বাসা বেধে আছে সেই লজেন্স চুরির গল্পটা,
বসে বসে ভাবি তোমাকে স্বার্থপর, অথবা পক্ষদুষ্ট
কষ্ট নিও না তুমি ।

মাঝে মাঝে তলপেটটা চেপে পূর্ণদ্যমে তোমাকে ডাকি
ভাবি, এই বুঝি তুমি বেরিয়ে এলে !
এই বুঝি তুমি অভিমান ফেলে কণ্ঠে উঠে এলে এখুনি, স্বর অথবা ঈশ্বর হয়ে!
বার বার ভাঙ্গে ভুল, ভাঙ্গে স্বপ্ন দিবালোকে
শুধু বোবা গোঙানি বেজে উঠে ওই পুরনো রেকর্ডারে,
সাথে আড়ষ্ট কণ্ঠ পাপের শাস্তি বয়ে চলে অনন্ত...

ইদানীং ক্যালেন্ডারটা ভালোই বুঝি, ভালোই বুঝি দিন বদল
মেপে মেপে চৈতন্যোদয় দেখি অবাক বাঙালির!
দেখি একুশ এলেই ফুলেল আবেগের বাৎসরিক পশরা
আর নিথর মিনারে কঙ্কনধারীদের সুমধুর কলতান, সাথে বিচ্ছিন্ন আবেগ।
সবই চলে চব্বিশ ঘণ্টার তরে, মেপে মেপে পেন্ডুলাম..
যেন এক আনন্দ চক্র, ঘড়ির কাঁটা মেপে!

এই পশরায় বড় বেমানান থাকি প্রতিবার, উচ্ছিষ্ট বা অবশিষ্ট...
নেই কণ্ঠে শ্লোগান, নেই পরিপাটি সাজ অথবা গাদা ফুল বিস্তর!
আবেগের বাহ্যিক প্রকাশ হিসেবে শুধু হাত দুটো ছুরি এলোপাথাড়ি
আর অনুভব করি একের পর এক 'কিক অ্যাজ' অ্যান্ড 'কিক অ্যাজ'!!
ফুল হাতে ভদ্রলোকেরা গালি দিয়ে বলে, 'ব্যাটা বধিরের বাচ্চা, জলদি সর'
মনে মনে বেশ শান্তিই লাগে! ওটা যে গালি নয় আমার জন্য, জানে না বেকুবের দল।
ভাবি বসে একা অন্তরীণে-
এই ভাষা দিবসে তবে এক ভাষাহীনের এত অস্থিরতা কিবা প্রয়োজন?

[ ধীরে ধীরে রাত শেষে ভোর আসে,
শেষ হয় 'গানে গানে ভরা আরেকটি একুশ', জীবনের পাতা থেকে।
বছর ভিত্তিক ক্যালেন্ডারের তলে চাপা পরে চেতনা
আর ধুলোয় ঢেকে যেতে শুরু করে মিনারের প্রাঙ্গণ,
নতুন কোনো 'তারিখ' শাণিত হতে থাকে ক্যালেন্ডার মেপে মেপে। আ-বা-রো!! ]



** বি: দ্র: শেষের প্যারা বাদ দিলে কবিতার নাম "বোবা গোঙানী", শেষের প্যারা সহ কবিতাটির নাম "চক্রবৃদ্ধি অস্থিরতা".. যতটুকু পড়তে বন্ধুদের ভালো লাগে.. ধন্যবাদ সবাইকে
বিজ্ঞপ্তিঃ এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।
১০৪ মন্তব্য সমূহ
  • প্রজ্ঞা মৌসুমী এটা পছন্দ করেছে
  • নিরব নিশাচর
    নিরব নিশাচর এই অধমের কবিতায় চোখ বুলানোর কারণে সবাইকে গণ-ধন্যবাদ..
    ২৯ ফেব্রুয়ারী, ২০১২
  • সূর্য
    সূর্য পুরো কবিতাটাই ভাল লাগার, তবে একটা শব্দে "তলপেটটা" এর বদলে অন্য কোন উপমা ব্যবহার (হতে পারে "বুক চাপড়ে") যুক্তিযুক্ত হতো। ঐ দুটো লাইনে অন্যরকম একটা ভাবনা মনে দোলা দেয়।..............☼
    ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০১২
    নিরব নিশাচর ধন্যবাদ দাদা.. তবে সেই মুহুর্তে সময় হাতে ছিল না বলে বিষয়টি নিয়ে বেশি ভাবতে পারিনি.. আপনার পয়েন্ট টি আমার ও নজরে এসেছিল.. শেষ মুহুর্তে আপনাকে পেয়ে ভালো লাগলো দাদা..
    ২৯ ফেব্রুয়ারী, ২০১২
  • মোঃ শামছুল আরেফিন
    মোঃ শামছুল আরেফিন আমি ভাইয়া সবসময় কবিতার মাঝে গল্প খুঁজি। গল্প লিখি বলেই হয়তো এ আমার ভাল অথবা মন্দ যেকোন একটা স্বভাবে পরিণত হয়েছে। আপনার কবিতার মাঝে আমি অসাধারণ আবেগি একটা গল্প পেলাম। একজন বোবা যে কথা বলতে পারেনা তার অনুভূতি, তার আকুতি, তার গল্প না বলতে পারার বেদনা, নৈঃশব্...  আরও দেখুন
    ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০১২
    নিরব নিশাচর আমার মনে হলো যেন, তুমি এই কবিতাটির সবচেয়ে মনোযোগী পাঠক ছিলে.. এর চেয়ে মনোযোগ দিয়ে হয়ত আমি নিজেও পরিনি কবিতাটি.. আমার প্রচেষ্টার প্রত্যেকটি দিক তুমি তুলে ধরেছ সুন্দর করে.. এমন দুই চারজন পাঠক পেলে কবিতা লিখা সার্থক হয়ে যায়...
    ২৯ ফেব্রুয়ারী, ২০১২
  • অঙ্কুর হাসান
    অঙ্কুর হাসান আমি সত্তি কথা বলতে কবিতা খুব ভালো বুঝিনা , তবুও পড়ে যেন খুব ভালো লাগলো । বিশেষত, ইদানীং ক্যালেন্ডারটা ভালোই বুঝি, ভালোই বুঝি দিন বদল
    মেপে মেপে চৈতন্যোদয় দেখি অবাক বাঙালির!
    দেখি একুশ এলেই ফুলেল আবেগের বাৎসরিক পশরা
    আর নিথর মিনারে কঙ্কনধারীদের সুমধুর কলতান, সাথে বিচ্ছিন্ন আবেগ।
    সবই চলে চব্বিশ ঘণ্টার তরে, মেপে মেপে পেন্ডুলাম..
    যেন এক আনন্দ চক্র, ঘড়ির কাঁটা মেপে! , লাইনগুলো খুব স্পর্শ করেছে ।
    ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০১২
    নিরব নিশাচর ei laingulo amaro besh pochhonder onkur vai...
    ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০১২
  • নজরুল জাহান
    নজরুল জাহান আমি শেষ পর্যন্তই পরলাম । পুরুটাই বেশি ভালো লাগলো আপনার কবিতার ।
    ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০১২
    নিরব নিশাচর ধন্যবাদ নজরুল ভাই... আগামী মাসে আপনার কবিতা দেখতে চাই ...
    ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০১২
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar