প্রাপ্ত পয়েন্ট

২৩

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: 19 November, 1989
গল্প/কবিতা: ১১টি
Drubo Sarker
Facebook Share
আপনি সহজেই এই লেখাটি ফেসবুক একাউন্টে পোস্ট করে আপনার বন্ধুদের দেখাতে পারেন!



আগামী সংখ্যার বিষয়

“অন্ধকার”

লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ
২৯ মে, ২০১৩
প্রতিযোগিতার নিয়মাবলী

আগামী সংখ্যার উপহার

বিচারক ও পাঠকদের ভোটে সেরা ৩টি গল্প ও ৩টি কবিতা পুরস্কার পাবে।
প্রথম পুরস্কার ১৫০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।
দ্বিতীয় পুরস্কার ১০০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।
তৃতীয় পুরস্কার সনদপত্র।

মে ২০১২ সংখ্যাঃ প্রিয়ার চাহনি


২৭ মন্তব্য সমূহ  |   ১টি পছন্দ ১৪০ বার দেখা হয়েছে

প্রিয়ার চাহনি

লেখক : Drubo Sarker
সাতবছর আগে সেতুর সাথে আমার প্রথম পরিচয়। পরিচয় ঠিকানা, আমি ওকে দেখতে পাই। দেখতে বেশ মিষ্টি এবং প্রচুর লাজুক ছিল। লজ্জা টলমল চোখ দেখিয়ে দৌড়ে পালিয়ে ছিল সে-দিন। মুখ থেকে কোন কথা না বেরুলেও চোখ দেখে বুঝে নিয়ে ছিলাম অনেক কিছু। দারুণ power ছিল ওর চোখে, ভাষা বুঝবার। বোঝার ক্ষমতাটা হয়তো আমার বেশ ছিল।আর ওর ছিল কিশোরী মনের চঞ্চলা ভাব।ওর এখন যৌবন আর আমার সাংসারিক দায়ভার মেটাবার পালা। কিছুটা ভবঘুরে হলেও পরিণত মন আমার।প্রেম -ভালবাসা যাই বলি না কেন সে-টা পাওয়া বা অন্যকে ভালবাসা দু'টোতেই পরম প্রশান্তি।পরম বলতে এখানে প্রশান্তির শেষটানয় , শেষটা হয় মৃত্যুতে। হয়তো এই জন্যই প্রত্যেকে মৃত্যু অবধি ভালবাসতে চায়,অন্যের কাছ থেকে সেটা পেতে চায়। ভালবাসা এবং সে-টা পাওয়া, পরিমাণ হিসাবে বেশির ভাগটা ধ্বনিহীন ভাবে আদান প্রদান হয়। মাধ্যম হিসাবে চোখটাই প্রথমে আসে,মানে প্রেমিক বা প্রিয়ার 'চাহনি'। তাৎপর্য গত ভাবে এটা চোখের ভাষা। সে যাই হোক বলছিলাম ,সেতু চোখ দিয়ে কথা বলতে পারে। ওর সব ধরনের আবেগের বহিঃপ্রকাশ চোখ থেকে হয়।হতেপারেমুখদিয়েকথাবলারৰমতাপুরোটাই স্থানান্তরিত করে শ্রোষ্ঠা ওর চোখে বসিয়ে দিয়েছেন।প্রথমবার অবশ্য আমি বুঝতে পারিনি যে সেতু কথা বলতে পারে না।পরে বুঝতে পেরেও আর খারাপ লাগেনি।কারণ সবাই যেটা নেই বলে জানে আমি সেটা ওর চোখে পেয়েছি।
গল্পটা নিছক ভালবাসার।যে-টা প্রথম দেখায় সেতু আমায় বলেছিল। [বলেছিল শুনে চমকাবেন না, আমি তো আগেই বলেছি সেতু চোখ দিয়ে কথা বলে] বলেই থেমে থাকেনি,ভালবাসতে শুরু করে দিয়েছিল নিজ অন্তে। আমার চোখ যেদিন সেতুকে বলেছিল,-'আমি তোমাকে ভালবাসি'। সেতুর চোখে সে-দিন ভরাপুর্ণিমা দেখেছিলাম,দেখেছিলাম ঝুমবৃষ্টি শেষে ঝকঝকে রৌদ্রজ্জল দিন।বুঝেছিলাম ভালবাসার জন্য কতটা কাঙ্গাল ছিল 'ও'।আর আমি পেয়েছিলাম নতুন এক পৃথিবী যার আকাশে কোন মেঘছিল না। মন চাইলেই বৃষ্টি হত,ভরাপুর্ণিমাহত।আমরা একসাথে ভিজতাম ইচ্ছা মত সেই বৃষ্টির জলে আবার ঝড়া জ্যোৎস্নায়। সেই দিনগুলোতেই রবিঠাকুরকে প্রথম আবিষ্কার করতে পেরেছিলাম,আমার মধ্যে।দরদ করতে শিখেছিলাম তার গানে,ভালবাসা অর্থবহ হয়ে ছিল তার কবিতায়।সবকিছু মিলিয়ে আমিই স্পষ্ট হয়েছিলাম দিন-দিন আমার কাছে। সেতুর চোখে,চোখের চাহনিতে এবং ভালবাসায়।
বিজ্ঞপ্তিঃ এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।
২৭ মন্তব্য সমূহ
  • জালাল উদ্দিন মুহম্মদ
    জালাল উদ্দিন মুহম্মদ কাব্যিক ঢঙে অনুপম রোমান্টিক গল্প। অনেক সুখপাঠ্য। ভাললাগা ও ভালবাসা রইলো।
    ২৪ মে, ২০১২
  • প্রিয়ম
    প্রিয়ম অনেক বড় একটা গল্প কিন্তু অনেক অল্প করে প্রকাশ করা হয়েসে , ভালো বেশ ভালো |
    ১৬ মে, ২০১২
  • আহমেদ সাবের
    আহমেদ সাবের একটা বোবা মেয়েকে ভালবাসার গল্প। ছোট্ট গল্প - তবু লেখকের উদাসীনতা পীড়া দেয় । দুর্বল বাক্য - যেমন, "পরিচয় ঠিকানা, আমি ওকে দেখতে পাই।", "দারুণ power ছিল ওর চোখে", বানান ভুল - শ্রোষ্ঠা ( স্রষ্টা ), ঝড়া (???) জ্যোৎস্নায়। একটু যত্ন নিলে...  আরও দেখুন
    ১৬ মে, ২০১২
  • মিলন বনিক
    মিলন বনিক "ওর এখন যৌবন আর আমার সাংসারিক দায়ভার মেটাবার পালা"...এভাবে নিজেকে সৃষ্টি করতে হবে..শেষের দিকে মন কারা সংলাপগুলো অসাধারণ...ভালো লাগলো...
    ১৫ মে, ২০১২
    Drubo Sarker আপনাদের মন্তব্যগুলো আমার প্রেরণা ..........ধন্যবাদ
    ১৫ মে, ২০১২
  • আশিক বিন রহিম
    আশিক বিন রহিম bes valo laglo..
    ১৪ মে, ২০১২
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar